গ্রাম আদালত হলো ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় পরিচালিত একটি স্থানীয় বিচার ব্যবস্থা, যেখানে সাধারণত বেসরকারিভাবে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করা হয়।
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (Village Court Act, 2006) — এই আইনের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আইনটি ২০০৯ সালে সংশোধিত হয়।
গ্রাম আদালত সাধারণত ৫ সদস্য বিশিষ্ট:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (সভাপতি হিসেবে)
বাদীর পক্ষ থেকে মনোনীত ২ জন সদস্য
বিবাদীর পক্ষ থেকে মনোনীত ২ জন সদস্য
👉 যদি চেয়ারম্যান পক্ষ নেন, তাহলে একজন সদস্য হিসেবে অন্য কোনো ইউপি সদস্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দেওয়ানি (সিভিল) ও ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলার ছোটখাটো বিষয়
৩,০০,০০০/= টাকা পর্যন্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়
ছোটখাটো মারামারি বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ
পারিবারিক বিরোধ, জমি নিয়ে সামান্য ঝামেলা ইত্যাদি
গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি)
৩,০০,০০০/= টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ চাওয়া সংক্রান্ত মামলা
পারিবারিক বা ধর্মীয় সংবেদনশীল বিষয়
সহজলভ্য ও কম খরচে বিচার
দ্রুত নিষ্পত্তি (সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে)
আইনজীবীর প্রয়োজন নেই
গ্রামবাসীদের জন্য বিচার ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস